Friday, October 11, 2024

দেশ চালাতে চায় গোপালগঞ্জ বনাম বগুড়া (আওয়ামী বনাম বিএনপি) সিন্ডিকেট পুলিশ:

বিডিসি ক্রাইম নিউজ২৪:
দেশ চালাতে চায় গোপালগঞ্জ বনাম বগুড়া (আওয়ামী বনাম বিএনপি) সিন্ডিকেট পুলিশ:


দেশ চালাতে চায় গোপালগঞ্জ বনাম বগুড়া (আওয়ামী বনাম বিএনপি) সিন্ডিকেট পুলিশ:

কেনো এই ক্ষোভ!!!!  

পুলিশের বিএনপি পন্থী অফিসারদের মধ্যে কেনো এই বিভেদ!!! 

আওয়ামী লীগের সময় আওয়ামী পুলিশ লীগের জন্ম। গোপালগঞ্জ এর পুলিশ অফিসাররা নিয়ন্ত্রণ করতো সমগ্র পুলিশ ডিপার্টমেন্ট। অন্যান্য জেলার অফিসার দের এই চক্রের অনুগ্রহে বেচে থাকতে হয়েছে। কিন্তু এই গোপালগঞ্জ এর পুলিশ অফিসাররা ছিলো অনেক দুর্দর্শী। তারা ভবিষ্যতের কথা ভেবে, বেছে বেছে বগুড়ার কিছু অফিসার ও ছাত্রদল বা শিবির করা অফিসার দের হাত করা শুরু করলো।  

বগুড়ার কাহালুর একজন অফিসার ১৮ ব্যচের শফিকুল ইসলাম , যিনি বিএনপির সময় ডিবিতে ছিলেন , তাকে চট্টগ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার করে, হাইওয়ে তে পুলিশ সুপার হিসেবে রেখে পেট ভরে খাওয়ানো হয়েছে , আবার তাকে অতিরিক্ত ডি আই জি হিসাবে পদন্নোতি ও দেওয়া হয়েছে। 

একি ভাবে তার ব্যচের মো রেজাউল হক, পিপিএম, বগুড়া ,সোনাতলা বাড়ি , তাকে পুলিশ হেডকোয়ার্টার এর বিভিন্ন লাভজনক পদে রেখে পেট ভরে খেতে দেওয়া হয়েছে , পিপিএম পদক দেওয়া হয়েছে , যে পদক তার বুকে শেখ হাসিনা পরিয়ে দিয়েছে। আর সময় মতন সব প্রমোশন জুটিয়ে নিয়ে ডিআইজি হয়েছে। তাকেই আবার খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি করে পাঠানো হয়েছে। 

বগুড়া কোতোয়ালি থানা এলাকার এস এম রশিদুল হক, ২১ তম ব্যচের , আওয়ামী লীগ তাকে চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার করে পাঠালো, একটা ই শরত, তারেক রহমানের সাথে আওয়ামী লীগের লিয়াজো করে বিএনপির আন্দোলন কে পাতলা করে দিতে হবে যেনো আওয়ামী লীগ শান্তি মতো দেশ পরিচালনা করতে পারে। পুরস্কার হিসাবে রশিদ পেলো চট্টগ্রাম এর পুলিশ সুপার এর মতো লোভনীয় পোস্টিং দীর্ঘ ৩ বছর , যে জেলার পুলিশ সুপার প্রতি মাসে ৫/৬ কোটি টাকা কামাই করে। সাথে উপরি হিসেবে পেলো পিপিএম পদক যা হাসিনার হাতে বুক উচিয়ে তিনি পরেছেন, আর পেয়েছেন যথাসময়ে অতিরিক্ত ডিআইজি পদন্নোতি। নরেন্দ্র মোদি ঢাকায় আসার ঘটনায় হাটহাজারী মাদ্রসার সামনে মাদ্রাসার ছাত্রদের শান্তিবাদি মিছিলে গুলি চালিয়ে ৭ জনকে মেরে ফেলেছিল সে। যে ঘটনায় ৫ তারিখের পর মামলা হয়, কিন্তু এই মামলা যেনো না হয় তার নামে এইজন্য পুলিশ হেডকোয়ার্টার থেকে তার দেশি ডি ই জি রেজাউল হক অনেক দোয়ড়াদোউড়ি করে হেফাজত কে বুঝিয়ে মামলা না দেবার জন্য। এইজন্য বিএনপি মহাসচিব কে দিয়ে হেফাজতে ইসলামের উপর লেভেলে ম্যনেজ করার ও চেস্টা করে হয়েছে , এইজন্য এই মামলা হতে দীর্ঘ ৩ দিন বিলম্ব হয়।

বগুড়ার নন্দিগ্রামের ফারুক আহমেদ, ১৭ ব্যচ, আওয়ামী লীগের সময় চট্টগ্রাম মেট্রপলিটিন পুলিশের আকর্ষণীয় কামাইয়ের পোস্ট ডিসি ট্রাফিক ছিলেন দীর্ঘদিন , সেখানে ই ডিসি হেডকোয়ার্টার হিসাবে চট্টগ্রাম শহরের নন্দনকাননের পুলিশ প্লাজা (আর কে প্লাজা) বানানোর প্রজেক্ট ডাইরেক্টর ছিলেন তিনি, আর ১৫০ এর বেশি দোকান বরাদ্দ করেছেন। দোকান বরাদ্দ ও বিল্ডিং বানানো , ও ডিসি হেডকোয়ার্টার হিসেবে বিভিন্ন খাত থেকে তিনি ১০০ কোটি টাকা কামিয়েছেন , এই কাজে যে অফিসার তিনজন তাকে সাহায্য করেছে , তাদের দুজন কে গতমাসে কিশোরগঞ্জ ও ঝিনাইদহ পুলিশ সুপার হিসাবে পোস্টিং দিয়ে রিনের শোধ দিয়েছেন , যদিও দুজন অফিসার ই আওয়ামী লীগের লেসপেন্সার। আর অন্য একজন ২৪ ব্যচের শহিদুল কে ঢাকা মেট্রপলিটিনে পোস্টিং করে এনে বিতর্কিত হয়েছেন। 

এখানেই শেষ নয়। দীর্ঘদিন সারদা পুলিশ একাডেমির এস পি এডমিন হিসাবে ছিলেন যেখানে মাসে আয় আছে ২০ লক্ষ টাকা। আর প্রতি সপ্তাহে তাকে ঢাকায় মিটিং দেওয়া হতো , গাড়ি নিয়ে আসার অনুমতি দেওয়া হতো , এভাবে তিনি সপ্তাহের ৪/৫ দিন ই (শুক্র শনিবার নিয়ে) ঢাকায় থাকতেন পরিবারের সাথে। সুতরাং মাসে ২০ লক্ষ কামাই সহ সরকারি গাড়িতে সরকারি তেল পুড়িয়ে এরকম ঢাকায় সফরের ব্যবস্থা ছিলো তার, অথচ কাগজ কলমে পোস্টিং সারদা পুলিশ একাডেমি। অথচ তিনি এখন পুলিশের দন্ড মুন্ড বিধাতা সেজে বসে আছেন পুলিশ ডিপার্টমেন্ট এ আর পোস্টিং বানিজ্য করে কোটি কোটি টাকা কামাচ্ছেন।

এভাবে বগুড়া বাড়ি বিভিন্ন র‍্যংকের বিভিন্ন লেভেলের অফিসার দের সুবিধা দিয়ে রাখা হয়েছিল। যার প্রতিদান হিসেবে এখন এই গংরা আওয়ামী লীগের অফিসার দের নিরাপদে দেশ ছাড়তে দিয়েছে। আর এ কারণেই আওয়ামী লীগের লেসপেন্সার অফিসারদের এখন আবার পুলিশ বিভাগে পুনর্বাসন করা হচ্ছে। পরিবর্তন এর পর পর এস পি, ওসি দ্রুত পরিবর্তন না করা, এই ষড়যন্ত্রের অংশ। দ্রুত ২/৫ দিনের মধ্যে পরিবর্তন হলে আওয়ামী লীগের নেতা, আওয়ামী পন্থী পুলিশ অফিসার রা সিমান্ত ব্যবহার করে দেশ ছেড়ে পালাতে পারতো না। বিভিন্ন সিমান্ত এলাকার পুলিশ সুপার ও ওসিরা নিজেরা আওয়ামী লীগের নেতা ও আওয়ামী পন্থী অফিসারদের ভারতে পালিয়ে যেতে সাহায্য করেছে। যেটা এসপি ও ওসি ২/৫ দিনের মধ্যে পরিবর্তন হলে সম্ভব ছিলো না। 

২১ ব্যচের তাহেরুল হক চোউহান , যদিও তিনি এস পি ছিলেন না। কিন্তু এডিশনাল এস পি হিসেবে তাকে দীর্ঘদিন পিবিএই ঢাকা উত্তরের এসপির চেয়ারে ভারপ্রাপ্ত হিসাবে কাজ করেছে। আওয়ামী দুশাসনের কোনো দিন তাকে ঢাকার বাইরে যেতে হয় নাই, আরামে আয়েসে সংসার করেছে । চেয়ারে বসে কোটি কোটি টাকা কামিয়েছ। ঢাকার বেশ কিছু গ্রুপ কোম্পানির বিভিন্ন মামলায় ৪/৬ কোটি করে টাকা নিয়েছেন প্রতিটি মামলায়। 

২২ ব্যচের নাসিরুল ইসলাম পিপিএম ও রবিউল ভুইয়া। 

আওয়ামী লীগের ১৬ বছর নাসির কোনো দিন ঢাকার বাইরে যান নাই। দীর্ঘদিন পুলিশ হেডকোয়ার্টার এ সুবিধাজনক পোস্টিং এ কাটিয়েছে। পিপিএম পদক বুক উচিয়ে নিয়েছে হাসিনার হাত থেকে। সময় মতো সব পদন্নোতি নিয়েছে। 

রবিও তাই। আওয়ামী লীগের সময় সিটি এস বির মতো যায়গাত ছিলো ৭/৮ বছর।যে সিটি এস বি সরকারের চোখ কান, সেখানে বসে সে বিএনপির জামাতের তথ্য এনে দিতো সরকার কে। সময় মতো পদন্নোতি পেয়েছে। কখনো ঢাকার বাইরে যাওয়া লাগে নাই।

২১ ব্যচের বিপ্লব রেখে গিয়েছে তার ব্যাচমেট তাহেরুল হক চোউহানকে। পুলিশের পুলিশ সুপার ওসি দারোগা পোস্টিং এ প্রধান ভুমিকা রাখছেন।যে তাহেরুল হক চোউহান কে এডিশনাল এসপি অবস্থায় এসপির দায়িত্বে রেখে বছরের পর বছর ঢাকায় পোস্টিং রেখে কামাই করার ব্যবস্থা করে দিয়ে গিয়েছে। 

১৭ ব্যাচের হাবিব রেখে গিয়েছে তার ব্যাচমেট ফারুক আহমেদকে, ডি আই জি। পুলিশের পুলিশ সুপার ওসি দারোগা পোস্টিং এ প্রধান ভুমিকা রাখছেন। সব ধরনের সুবিধা দিয়েছে। এখন তার ফেরত পাবার সময়। ঋণ শোধ করছে ফারুক। 

১৫ ব্যচের মুনির রেখে গিয়েছে তার ব্যাচমেট মো: সরওয়ার , বিপিএম। তিনি এসবিতে বসে মুনিরের যতো লেসপেন্সার যেমন ২২ ব্যচের ক্লোজ অফিসার জায়েদুল আলম,পিপিএম (বার) এর স্ত্রী জেসমিন কেকা, পিপিএম কে নিয়ে বসে থাকেন আর তাকে আর তার ব্যচমেইট মোনালিসা বেগম , এস পি শেরপুর ,এডিসি+এসি রমনা ছিলো। তার মুল লোক ডি আই জি ঢাকা রেঞ্জ নুরুল এর রাতের বান্ধবী। এসবি প্রধান মুনিরের রাতের বান্ধবী ২৭ ব্যচের মাহফুজা লিজা ,বিপিএম.... এদের পুনর্বাসন করার চেস্টায় আছেন।  

২৪ ব্যচের আহমেদ মুয়িদ, পুলিশ সুপার ঢাকা জেলা। তার ব্যচমেইট প্রলয়ের অনুগ্রহে আওয়ামী লীগের পুরোটা সময় ঢাকায় পোস্টিং ছিলেন। এসি ট্রাফিক, এসি হেডকোয়ার্টার , অফিসারস মেসের ডিরেক্টর এর মতো লাভজনক পদে থেকে ব্যচমেইট এর প্রতি যে রিন জমেছে , সেই রিনের প্রতিদান দিচ্ছে। ফারুক চোউহান নেক্সাসের সাথে মিলে আওয়ামী পুলিশ লীগের লোকজনকে পুনর্বাসন করার চেস্টা করছে।

পুলিশের অভ্যন্তরে মেরুকরণ : দীর্ঘদিন বঞ্চিত থাকা ছাত্র আন্দোলনের পক্ষের শক্তি বনাম তথাকথিত বিএনপি পন্থী কিন্তু আওয়ামী লীগের পুলিশ লীগের কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের সুবিধাভোগী..... এই দুই গ্রুপের মধ্যে তুমুল লড়াই। কিন্তু কেনো?

আওয়ামী পুলিশ লীগের মনির- হাবিব -আমিনুল - বিপ্লব - প্রলয়ের সাথে ঘনিষ্ট সম্পর্ক রেখে চলা তথাকথিত বিএনপি পন্থী ডিজি র‍্যব শহিদুল - আইজিপি মইনুল- ডি আই জি ফারুক - অতিরিক্ত ডি আই জি তাহেরুল হক চোউহান ও নাসিরুল ইসলাম গং এর সাথে লেগে গিয়েছে দীর্ঘদিন বঞ্চিত , আওয়ামী পুলিশ লীগের হাতে লানছিত ডা নাজমুল - ব্যরিস্টার জিল্লুর - মীর আশরাফ গ্রুপlদের। 

৫ তারিখের পরিবর্তন এর পর বিশেষ মুহুর্ত বিবেচনায় সেই সময় ১২ তম ব্যচের অতিরিক্ত আইজিপি মো : মইনুল ইসলাম , এনডিসি কে করা হলো আইজিপি ও তারি ব্যচমেইট শহিদুর রহমান , পিপিএম এনডিসি কে করা হলো র‍্যবের ডিজি। কারণ সেই সময় আরমি দের কাছে এই দুজন পুলিশ অফিসার ছিলো পরিচিত , কারন তারা এনডিসি কোর্স করতে যেয়ে আরমিদের খাতায় নাম লিখিয়ে এসেছে। হঠাৎ প্রয়োজন মিটাতে তাদের এসব গুরুত্বপূর্ণ পদে বহাল রাখা হলেও প্রশাসন সহ সারা দেশ ভুলে যায় নাই তাদের আওয়ামী লীগের সাথে আতাত করে চাকুরী করার ইতিহাস , আওয়ামী লীগের সাথে আতাত ব্যতিত তাদের ডিআইজি বা অতিরিক্ত আইজিপি হওয়া যে সম্ভব ছিলো না একথা সবাই বুঝে, যেখানে তাদের ব্যচের অনেকেই তখনও এসপির চেয়ার থেকে উপরের দিকে উঠতে পারে নাই। 

পরিবর্তনের পর দ্রুততম সময়ে ১৫ ব্যচ ও ১৭ ব্যচের দীর্ঘদিনের পদন্নোতি বঞ্চিত অফিসারদের পদন্নোতি দিয়ে পোস্টিং দিয়ে প্রশাসন কে ঢেলে সাজিয়ে পুলিশ বিভাগ কে সক্রিয় না করে, আইজিপি - ফারুক - চোউহান গং পুলিশ প্রশাসনের গতি নস্ট করে ব্যস্ত হয়ে পরলো জেলার পুলিশ সুপার , ওসি দারোগা বদলি বানিজ্য নিয়ে। র‍্যবের ডিজির চাকুরির বয়স শেষ হলেও তাকে এক্সটেনশন করে চাকুরী তে বহাল রাখা হলো শুধু মাত্র এই পোস্টিং বানিজ্যের চক্র কে শক্তিশালী করার জন্য। 

টাকা পয়সা লেনদেনের মাধ্যমে জেলার এসপি, থানার ওসি ও দারোগাদের পোস্টিং দেওয়া হলো আওয়ামী লীগের লোকজন কে কিংবা আওয়ামী লীগের সময় এর সুবিধাভোগী দের। এই পোস্টিং বানিজ্যের কারণে দীর্ঘদিনের বঞ্চিত ভুক্তভোগী অফিসার রা আবারো বঞ্চনার শিকার হয়ে এখন তারাও ভয়েস রেইজ করা শুরু করেছে। 

যার আউটবাস্ট হয়েছে গতকাল পুলিশ হেডকোয়ার্টারে পুলিশ অফিসারস এসোসিয়েশন এর কমিটি করা কে কেন্দ্র করে। বঞ্চিত পুলিশ অফিসার রা এক জোট হয়েছে , তারা প্রতিবাদ শুরু করেছে।

No comments:

Post a Comment

ফ্যাসিস্ট খুনি হাসিনার আমলে অনেক নারীকেও গুম করা হয়। (BDC CRIME NEWS24)

BDC CRIME NEWS24 ফ্যাসিস্ট খুনি হাসিনার আমলে অনেক নারীকেও গুম করা হয়: (গুম কমিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন) প্রকাশ : ০৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯: ৩২ শেখ...